মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ অক্টোবর ২০২১

ইনোভেশন উদ্যোগ (পাইলটিং ও রেপ্লিকেশন )

 

ইনোভেশন উদ্যোগ (পাইলটিং ও রেপ্লিকেশন )

ক্রম

অর্থবছর

মন্ত্রণালয়/ অধিদপ্তর বা দপ্তর

 

ইনোভেশনের নাম  

ইনোভেশনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ (সর্বোচ্চ ১০০ শব্দ)

কার্যক্রমের অগ্রগতি(%)

সারা দেশের ইনোভেশনটি বাস্তবায়নযোগ্য কিনা?

কর্মসম্পাদন চুক্তিতে অন্তর্ভূক্ত কিনা? (কোন অর্থবছর)

সংযুক্ত ডকুমেন্ট(pdf/word)

২০২০ -২০২১

খাদ্য মন্ত্রণালয় 

ওএমএস দোকানে রেডিয়াম কালার সাইন বোর্ড ও লোগো স্থাপন 

ওএমএস দোকানে রেডিয়াম কালার সাইন বোর্ড ও লোগো স্থাপন   আইডিয়াটির সমস্যাসমূহ নিম্নরূপঃ

১. লালসালুতে লিখিত ছোট ব্যানার যা ভোক্তার দৃষ্টিগোচর নয়।

২. প্রচারের অভাবে ওএমএস দোকানে কম বিক্রি

৩. অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক স্থানে অবস্থিত ওএমএস দোকানে বেশি বিক্রি

৪. ওএমএস দোকান ভোক্তার দৃষ্টিগোচর নয়

৫. অনেক ডিলার ব্যানার লাগাতে অনীহা

৬. অধিক চাহিদা সম্পন্ন এলাকায় ওএমএস দোকানে ভোক্তার দীর্ঘ লাইন

৭. সকাল ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত ওএমএস দাকান খোলা থাকে; যা চাকুরীজীবি/গার্মন্টস শ্রেণীর ভোক্তার জন্য ওএমএস দোকান থেকে খাদ্যশস্য ক্রয় করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

৮. খোলা চাল/আটা বহনে এক শ্রেনীর ভোক্তাকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার অসুবিধা হওয়ায় অনেক ক্রেতা ওএমএস দোকান যেতে চায় না।

 

সুবিধাঃ

১. ইউনিক রং দ্বারা ওএমএস দোকান রং করার ফলে ভোক্তা সহজে ওএমএস দোকান চিহ্নিত করতে পারবে।

২. ম্যাপিং করার ফলে ভোক্তা সহজে নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থিত সকল ওএমএস দোকান সম্পর্কে জানতে পারবে।

৩. সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (Good Governance) বৃদ্ধি পায়

১০০%

হ্যাঁ

না

২০১৯ -২০২০

খাদ্য মন্ত্রণালয়

শ্রমঘন স্থানে ওএমএস আটা

বিক্রয়

খাদ্যশস্য বাজারমূল্য উধ্বগতি রোধ এবং দরিদ্র ও নিম্ন আয়ভূক্ত মানুষের কষ্ট লাঘবের লক্ষ্যে ‘শ্রমঘন স্থানে ওএমএস চাল/আটা বিক্রি’ আইডিয়াটি গ্রহণ করা হয়। এতে ঢাকা শহরের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি এলাকায় কর্মরত দরিদ্র শ্রমিকদের মাঝে চাল/আটা বিক্রি করা হয়। শ্রমিকরা নিজেদের কর্মস্থল থেকেই ওএমএস চাল/আটা ক্রয় করতে পারায় তাদের সময় সাশ্রয় হচ্ছে।  

১০০%

হ্যাঁ

না

২০১৮ -২০১৯

খাদ্য মন্ত্রণালয়

এসএমএস এর মাধ্যমে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল প্রদান

এসএমএস এর মাধ্যমে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল প্রদানের সমস্যা হলো  (ক)  একই দিনে ভোক্তাধিক্যের ফলে ডিলার কর্তৃক চাল সরবরাহে বিলম্ব এবং দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হয়।

(খ)  উপকোরভোগীদের মূল্যবান সময় অপচয় হওয়া

(গ) একাধিকবার যাতায়াত সংঘটিত হওয়া।

(ঘ) ভোক্তাদের আর্থিক অপচয় হওয়া।

 

ওএমএস এ্যাপ চালু হওয়ার কারণে আইডিয়াটি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা নেই।

না

২০১৭ -২০১৮

খাদ্য মন্ত্রণালয়

চাল/আটা বিক্রির স্বচ্ছতা আনার জন্য ওএমএস ট্রাকিং এ্যাপ চালু

পাবলিক ফুড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের আওতায় খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। খাদ্যশস্যের বাজার মূল্যের উর্ধ্বগতি রোধ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে মূল্য সহায়তা দেয়া এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

 

বর্তমানে ওএমএস ট্যাকিং এ্যাপটি বন্ধ আছে।

 না

২০১৭ -২০১৮ খাদ্য মন্ত্রণালয় ফুড গ্রেডেড প্যাকেটের মাধ্যমে  ওএমএস এর আটা বিক্রয় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্ভাবন টিম কর্তৃক বাংলাদেশ সচিবালয়ে ‘ফুড গ্রেডেড প্যাকেটের মাধ্যমে  ওএমএস এর আটা বিক্রি’ পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।  এ কার্যক্রমে ১ টি প্যাকেটে ২ কেজি আটা ৪৩.০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। জনবান্ধব, পরিচ্ছন্ন, মানসম্মত, সঠিক ওজন এর নিশ্চয়তা দিয়ে ওএমএসের আটা সরবরাহ করা হচ্ছে বিধায় ইতোমধ্যে ‘ফুড গ্রেডেড প্যাকেটের মাধ্যমে  ওএমএস এর আটা বিক্রি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ১০০%  বাস্তবায়নযোগ্য না
 

 

২০১৭ -২০১৮



Share with :

Facebook Facebook